পোষ্যদের কাটা বা পচা ঘায়ে ন্যাফথালিন গুঁড়ো দিয়ে চিকিৎসার অপচেষ্টা

বিষাক্ততা – ন্যাফথালিন কুকুর (এমনকি বিড়ালের জন্যও) অত্যন্ত বিষাক্ত। সামান্য পরিমাণও যদি ত্বকের মাধ্যমে, শ্বাসের সাথে বা মুখ দিয়ে শরীরে যায়, তাহলে হতে পারে—

1) ত্বকে মারাত্মক জ্বালা ও পোড়া দাগ
2) বমি, লালা পড়া, পেটব্যথা
3) দুর্বলতা, কাঁপুনি, খিঁচুনি
4) রক্তের লোহিত কণিকা নষ্ট হয়ে অ্যানিমিয়া (ফ্যাকাশে মাড়ি, দ্রুত হার্টবিট)
5) লিভার ও কিডনির ক্ষতি

-ক্ষতের মাধ্যমে শোষণ: খোলা ও পুঁজওলা ক্ষতে ওই গুঁড়ো দিলে শরীরে বিষ দ্রুত শোষিত হয়, ফলে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

-বিলম্বে হলেও মারাত্মক প্রভাব: অনেক সময় লক্ষণ কয়েক ঘন্টা পরে দেখা দিলেও, ভিতরের অঙ্গের ক্ষতি চলতে থাকে কয়েকদিন ধরে।

-চিকিৎসাগত কোনও উপকার নেই: নাফথালিন কিন্তু ক্ষতকে জীবাণুমুক্ত বা শুকনো করে না, বরং টিস্যুর ক্ষতি বাড়ায় ও সেরে ওঠা দেরি করায়।

  1. চাটতে না পারে: সঙ্গে সঙ্গে কুকুরকে চাটা থেকে আটকান (সম্ভব হলে ই-কলার ব্যবহার করুন)।
  2. ক্ষত ধুয়ে ফেলুন: হালকা গরম জল দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ধরে ভালোভাবে ধুয়ে নিন যাতে গুঁড়ো সরে যায়।
  3. তাৎক্ষণিকভাবে পশুচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান: এটি বিষক্রিয়ার একটি জরুরি অবস্থা।